ভাসা ভাষায় কয়েক ছত্র ডিকেন্স দেবেশ সেলিম

গল্পবলিয়ে সেলিম মোর্শেদ সেলিম মোর্শেদের লেখালেখির সঙ্গে আমার পরিচয় বছর দুয়েক আগে। তিনি লিখছেন অনেকদিন ধরেই, আমি পড়ছিও অনেক দিন ধরেই। তবু আমাদের যোগাযোগ হতে এত এত দেরি হবার নিশ্চয় কারণ ছিল। বইমেলায় উলুখড়ের স্টল থেকে তার শ্রেষ্ঠগল্প কিনেছিলাম। কাটা সাপের মুণ্ডুর মত বইটা শেলফে ঘুমল কিছুদিন। এরপর হুট করেই

আরিমাতানোর ক্রোধ ও সন্তাপ

নিয়ন্ত্রণ আমি করতে পেরেছিলাম অনেকটুকুই, যা পারিনি সেটাই কফিন, সেটাই আমার সায়ানাইড ফুল। আরিমাতানো তুলনায় যাবনা। তার প্রয়োজনও নেই। কিন্তু বইয়ের তাকে যতবার আরিমাতানোকে দেখতাম, বারবার আমার মনে হত হুয়ান রুলফোর পেদ্রো পারামোর কথা। পারামো তার বাবার খোঁজে কোমালা নামের এক অদ্ভুতুড়ে শহরে গিয়ে থামে। মায়ের মৃত্যুশয্যা থেকে পারামোর যাত্রা

পাঁচটি অসময়ের গল্প

ধবলগাঁওয়ের লোকজন সন্ধ্যায় ওরা এলো একটা ট্রলারে চড়ে। মানুষে বোঝাই। তাদের মাঝখানে ত্রাণের ছোট ছোট ব্যাগের স্তুপ। চারদিক পাথার হয়ে আছে। যেদিকে তাকাও জল। ধবলগাঁওয়ের লোকজন বসে আছে গাছের মগডালে, বাড়ির ছাদে। কয়েকদিন ধরে মাইকিং করা হচ্ছিল সবাই যেন উপজেলা সদরে যায়। সেখানে জল ওঠেনি, ত্রাণ দেওয়া হবে। কেউই যেতে