হাসপাতালে

আমার পৃথিবী ছোট হয়ে আসছে। এইখানে, মাঝারি আকৃতির এ রুমটায় ঘুমাই, ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখি অথচ জাগবার পর মনে পড়েনা। স্বপ্ন দেখা হয়েছে, অস্বস্তিকর, ভয়ানক কিছু স্বপ্ন—এটুকু খেয়াল হয় শুধু। দিনমান এদের কথা ভেবে কিংবা স্মরণের বৃথা চেষ্টায় মগজে বেদনা জন্মায়, সে বেদনার তোড়ে চারপাশে আর তাকানো হয়না গভীর মনযোগে।

সেই এক পদচারি সেতু

প্রাইম মিনিস্টারের ফুলবাগানকে পাশ কাটিয়ে সেই হাইওয়েটা গিয়ে মিশেছিল বইবাগানে। শিশুদের অসুখ হলে বড়রা ওদের যে হাসপাতালে এনে ভর্তি করাতো, হাইওয়েটির এক পাশে ছিল সেই আরোগ্য নিকেতন। খুব ব্যস্ত সড়ক। প্রচুর গাড়ি হেঁকে যেত, ভারি ও হালকা। রাস্তা পার হতে গিয়ে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটতো। শিশুকে ভর্তি করতে এসে বাবা-মা মরতো,

জাদুবৃক্ষের রস

যতদূর জানি, টিকে থাকে শুধু নারী এবং গল্প।— ভার্জিনিয়া উলফ নারীটি হারিয়ে যায়, ফাতেমা। একদিন হঠাৎ চলমান সংসার ও সন্তান, বসত-ভিটে থেকে ফাতেমা নিখোঁজ হলে দেখতে পাই তার পুরুষ আকালু সুহাসিনী গ্রামে ফিরে আসছে। আকালুকে ফিরতে দেখা যায় ফাতেমার বাপের অর্থাৎ নিজের শশুর বাড়ি থেকে। নারীটি যে হারিয়ে গিয়েছে, নিজের

আয়না ভ্রমণ

আমরা সবাই ব্যাপারটা মেনে নিলাম একবাক্যে। প্রথমে ঘাটে জড়ো হওয়া লোকজন। এরপরে নদী তীরে গরমে পুড়তে থাকা থাকা গাছপালা। ক্ষমাহীন উত্তপ্ত বাতাসের একটা ঝড়ও কয়েক মুহূর্তের জন্য হাজির হল আমাদের ঐক্যমত জানাতে – পৃথিবীতে আজকের মত দীর্ঘ দুপুর এর আগে কখনও আসেনি। এমন এক দুপুরে আমরা দেখতে পেলাম আবু রায়হান

error: লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন