দ্যা সিমপ্যাথাইজার ও আধুনিক যুদ্ধ-উপন্যাসের দাবি

দ্যা সিমপ্যাথাইজার যুদ্ধজাত উপন্যাস। ভিয়েতনামিজ-আমেরিকান উপন্যাসিক ভিয়েত থান নুইয়েনের এ আখ্যান ভিয়েতনাম যুদ্ধকে নিয়েছে পটভূমি হিসেবে, আখ্যানের মূল চরিত্র একজন গুপ্তচর। ইতিহাসের পাঠ ও আমাদের বিবেচনাকে বইটা বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। কীভাবে, তা নিয়েই এই আলাপ। ভিয়েতনাম যুদ্ধের উপর কোন উপন্যাস পড়তে হলে এ বিষয়ে সামান্য ধারণা রাখা জরুরি। আমি বিস্তারিত

খেলারামকে যেভাবে খেলে যেতে দেখি

একজন নারীলিপ্সু পুরুষ, যে পছন্দ করে কেবল উঠতি বয়সি তরুণীদের। প্রেম বলতে যে বোঝে শুধুই শরীর, এজন্য সে নিত্যই একটা বদলের চেইনে দিন পার করে। এক নারী থেকে আরেক নারীতে ভ্রমণটাকে তার মনে হয় প্রকৃত জীবন। মোটাদাগে এই হল সৈয়দ শামসুল হকের খেলারাম খেলে যা’র কাহিনী। কিন্তু উপন্যাসের যে খেলাটা,

তারাশঙ্করের চৈতালি-ঘূর্ণি পাঠের শেষে

বাস্তবতা সত্যকে অস্পষ্ট করে, গল্পে সত্য স্পষ্ট হয়। —রালফ ওয়াল্ডো এমারসন এ উপন্যাস দারিদ্র্যের লাঠিপেটায় আহত কিংবা নিহত মানুষদের নিয়ে। দেশভাগের গরম হাওয়া বইতে শুরু করেছে যখন ভারতবর্ষের হাটে-ঘাটে-মাঠে—সে সময়কার আঁচ, স্বাধীনতা এলো কী এলোনা তার আলাদা গুরুত্ব যে দেশের অতি সাধারণ, হতদরিদ্র মানুষগুলোর জীবনে তেমন নেই, চৈতালী-ঘূর্ণি সে গল্পই

হেমিংওয়ের প্রেম ও পুরুষের পৃথিবীতে

১ কোন ভোর ভালো লাগলে, কোথাও বা গড়ের পিছনে সূর্যাস্ত দেখে মুগ্ধ হলে কোনদিন, কাঁধে হাত রেখেছি নিজের, ‘সত্যি তো, নাকি বই পড়ে শিখেছ?’ হবহু স্মরণ হচ্ছেনা লাইনগুলো, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের কোন লেখায় পড়েছিলাম। খুব একটা ধাঁধা কি লেগেছিল? না সম্ভবত। মানুষের জীবন-যাপনের প্রক্রিয়াটাই এমন যে সে সব সময় অন্যদের অন্য

error: লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন