বুকোওস্কি কেন চেষ্টা করার বিপক্ষে ছিলেন

লেখক হতে চাওয়া এক যুবকের গল্প বলে ফ্যাকটোটাম। শব্দটার মানেই হল জীবিকার জন্য যে সব ধরণের কাজ করে। যুবকটির নাম হ্যাংক চেইনস্কি। হ্যাংক নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে কোন কাজই করতে পারেনা। ইচ্ছেটা কি? লেখক হয়ে ওঠা। কিন্তু লিখতে হলে ব্রেড আর ওয়াইন দরকার, প্রচন্ড মদ্যপ হিসেবে মূলত মদই দরকার। টাকা কামাই

সেরা তিন দার্শনিক কৌতুক

মন খারাপ থাকলে মাঝেমধ্যে বৈদেশী কৌতুক পড়তাম আমি। কোন কোনটা এতই ভাল হত যে পাঠান্তে পরপর সাতদিন হাসি আসত। এক পর্যায়ে হাসি থামাতে লোকাল বাসে চড়তাম আমি, অফিসে লেট করে যেতাম কিংবা দৈনিক পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠার দিকে চেয়ে থাকতাম হয় সাড়ে উনিশ মিনিট। ওসবের মধ্যে সেরা কৌতুকগুলো নিজের ভাষায় রূপান্তর

জ্ঞান বনাম তথ্য

অধিকাংশ মানুষ দেখবেন তথ্য আর জ্ঞানকে এক মনে করে। এর রিফ্লেকশন পপুলার বই, সিনেমা বা বিজ্ঞাপনে দেখা যায়। ওদিন এক সিনেমায় দেখলাম, নায়িকার বড় ভাই নায়ককে জিজ্ঞেস করছে, ‘বলো দেখি ছোঁড়া, হুতোম প্যাঁচা কটা ব্রাক্ষণের টিকি কেটেছিল?’ আত্মবিশ্বাসী নায়ক মৃদু কণ্ঠে জানাল, ‘আজ্ঞে, ৫১টি।’ ‘শাবাশ। বিস্তারিত বলো, খুলে বলো।’ ‘জ্বি।

দ্যা সিমপ্যাথাইজার ও আধুনিক যুদ্ধ-উপন্যাসের দাবি

দ্যা সিমপ্যাথাইজার যুদ্ধজাত উপন্যাস। ভিয়েতনামিজ-আমেরিকান উপন্যাসিক ভিয়েত থান নুইয়েনের এ আখ্যান ভিয়েতনাম যুদ্ধকে নিয়েছে পটভূমি হিসেবে, আখ্যানের মূল চরিত্র একজন গুপ্তচর। ইতিহাসের পাঠ ও আমাদের বিবেচনাকে বইটা বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। কীভাবে, তা নিয়েই এই আলাপ। ভিয়েতনাম যুদ্ধের উপর কোন উপন্যাস পড়তে হলে এ বিষয়ে সামান্য ধারণা রাখা জরুরি। আমি বিস্তারিত

প্যানডেমিকের প্রথম ধাক্কা, ডাল্টনের বন্ড ও অন্ধত্বের সারামাগো

কোন ধরণের ভারি কথা বা চিন্তা মাথায় আসছেনা। গতকাল রাত জেগে বন্ড এক্টর টিমোথি ডাল্টনকে নিয়ে পড়লাম। যৌবনে এই লোক অসম্ভব সুদর্শন ছিলেন। শন কনোরি বন্ড হিসেবে অবসর নেবার পর তাকেই প্রথম এপ্রোচ করেছিল প্রডিউসাররা। ডাল্টন বলেছিলেন, ‘কোন বিখ্যাত রোলে রিপ্লেসমেন্ট ভাল আইডিয়া, কিন্তু পূর্বসূরি যদি হয় কনোরির মত কেউ,

আমাদের সময়ে শিল্প-সাহিত্যের কী প্রয়োজন

১ হেমন্তের এক মেঘলা সকালে প্রশ্নটির মুখোমুখি হই আমি। যখন এ মহানগরে লোকজনের ছুটবার কথা যার যার কর্মস্থলে। তারা ছুটছেও। জানালার নিচে পথের ধার ঘেঁষে বসেছে অস্থায়ী কাঁচাবাজার। ভেসে আসছে মানুষ ও যানবাহনের শোরগোল। এমন সকাল শুধুমাত্র হেমন্তের কারণেই গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষার চেয়ে ভিন্ন। আবহাওয়ার পরিবর্তন ছাড়া আর কী নতুনত্ব

error: লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন