দ্য ফিউচার – পরাবাস্তব হয়ে ওঠার ক্রমধারা

চিলের সিনেমা দ্য ফিউচার মানে আসলে অতীত। বাবা-মা সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে গাড়িতে থাকা জিনিসপত্র উদ্ধার করতে যায় সহোদর বিয়াংকা আর টোমাস। পুলিশের কাছে অবাক হয়ে বিয়াংকা প্রশ্ন করে, ‘দুর্ঘটনার আগে যে গাড়িটা হলুদ ছিল, সেটা এখন কীভাবে ফ্যাকাশে হয়ে গেল?’ শুরু হয় দুই ভাই-বোনের একলা জীবন। ঘটনাক্রমে বিয়াংকা জড়িয়ে

বুকোওস্কি কেন চেষ্টা করার বিপক্ষে ছিলেন

লেখক হতে চাওয়া এক যুবকের গল্প বলে ফ্যাকটোটাম। শব্দটার মানেই হল জীবিকার জন্য যে সব ধরণের কাজ করে। যুবকটির নাম হ্যাংক চেইনস্কি। হ্যাংক নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে কোন কাজই করতে পারেনা। ইচ্ছেটা কি? লেখক হয়ে ওঠা। কিন্তু লিখতে হলে ব্রেড আর ওয়াইন দরকার, প্রচন্ড মদ্যপ হিসেবে মূলত মদই দরকার। টাকা কামাই

ট্যাক্সি ড্রাইভারের বিপ্লব

তারুণ্যের একটা পর্যায়ে সকলেই ট্যাক্সি ড্রাইভার সিনেমার ট্রাভিস বিকল হতে চায়। কারণ ঐ বয়সে হৃদয় উন্মুক্ত থাকে মানুষের। সমাজের অন্ধকার দিকগুলো তাকে অস্বস্তি দেয়। সে বুঝতে পারে সমাজ বদলের জন্য কেউ কিছু করছেনা, সুতরাং সে নিজে কেন শুরু করবেনা একটা ব্যক্তিগত বিপ্লব? বিপ্লব প্রসঙ্গে অনেক আবেগী কথাবার্তা বলা হয়েছে যুগে

error: লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন