চ্যাম্পিয়নদের ব্রেকফাস্ট ● কার্ট ভনেগাট ● পর্ব ২

এভাবেই চিরায়ত বিশ্বসাহিত্য পাঠাগার নামে এক সংস্থার সন্ধান পায় সে, যারা ছিল ক্যালিফোর্নিয়ার লস এঞ্জেলেসের সচিত্র চটিপ্রকাশক। ওরা ট্রাউটের পাণ্ডুলিপিগুলোকে কাজে লাগাত চটির আকার স্বাস্থ্যবান করতে, যেগুলোয় এমনকি কোন নারী চরিত্র পর্যন্ত থাকতনা। কিলগোর ট্রাউটের যৌনসংশ্রবহীন কাহিনীগুলোর ফাঁকে ফাঁকে ওরা জুড়ে দিত যৌনভুরভুরে সব ছবি।

চ্যাম্পিয়নদের ব্রেকফাস্ট ● কার্ট ভনেগাট ● পর্ব ১

স্লটারহাউজ ফাইভের পরে চ্যাম্পিয়নদের ব্রেকফাস্টই সম্ভবত মার্কিন লেখক কার্ট ভনেগাটের সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস। ননসেন্স ন্যারেটিভের আড়াল নিয়ে বইটি আমেরিকান কালচার ও আমেরিকান ড্রিমের ফাঁকিঝুকি নিয়ে এমন সব বিদ্রূপ করতে সফল হয় যে আমি চমকে উঠেছিলাম শেষ করে। শুধু কি আমেরিকান কালচার? আধুনিক বিশ্বের যাবতীয় মূল্যবোধ, বেঁচে থাকা, আর

পিটার শ্লেমিল – এক ছায়ানেই মানুষের কাহিনী

বইয়ের দোকানে লক্ষ্য ঠিক করে খুব কমই গিয়েছি আমি। সুযোগ পেলেই বাংলামোটোর হয়ে শাহবাগ বা নিউমার্কেট এরিয়ার গ্রন্থবিতানগুলোতে এত ঢুঁ মারা হয়, প্রত্যেকবার লক্ষ্য ঠিক করে রাখা সম্ভব না আসলে। এই ব্যাপারটার মধ্যে চাপা উত্তেজনা আছে। অপ্রত্যাশিতভাবে এমন কিছু বই একেকবার হাতে চলে এসেছে, সেসব পাঠান্তে আমি আমার নিরুদ্দেশ ঐসব

ডায়নোসরের পিঠ

The real voyage of discovery consists not in seeking new landscapes, but in having new eyes. – The Prisoner, Marcel Proust এ সে পৃথিবী নয় এতদিন যাহাকে জানিতাম, এ স্বপ্নভূমি, এই দিগন্তব্যাপী জ্যোৎস্নায় অপার্থিব জীবেরা এখানে নামে গভীর রাত্রে, তারা তপস্যার বস্তু, কল্পনা ও স্বপ্নের বস্তু, বনের ফুল যারা ভালবাসে

লস্কর মিয়ার জামাই

লস্কর মিয়া তার লুঙ্গি কাছা মারল। যে কোন সময় হয়ত ছুট দেয়া লাগবে। বাঁদরটার মতিগতি খারাপ। শুরু থেকেই দাঁত খিঁচানি দিচ্ছে। তৈয়বের এই বাঁদর সন্ত্রাসীদের মত আচরণ করে। আগেরবার সে যখন এসেছিল, বাঁদর তাকে ঘরেই ঢুকতে দেয়নি। দূর থেকে কয়েকবার ডেকে তৈয়বের সাড়া না পেয়ে ফিরে গিয়েছিল সে। প্রথমে সে

আমরা কী বলি যখন ভালবাসা নিয়ে বলি ● রেমন্ড কারভার

আমেরিকান লেখক রেমন্ড কারভারের খোঁজ আমি পেয়েছিলাম তার এক ভাবশিষ্যের কাছে। হারুকি মুরাকামি। আত্মজৈবনিক What I Talk About When I Talk About Running নামটা তিনি ধার করেছিলেন গুরুর What We Talk About When We Talk About Love থেকেই। কেমন নেশা ধরানো ব্যাপার আছে কারভারের লেখায়, বলতে অস্বস্তি লাগে চেনা জীবনের

বুকোওস্কি কেন চেষ্টা করার বিপক্ষে ছিলেন

লেখক হতে চাওয়া এক যুবকের গল্প বলে ফ্যাকটোটাম। শব্দটার মানেই হল জীবিকার জন্য যে সব ধরণের কাজ করে। যুবকটির নাম হ্যাংক চেইনস্কি। হ্যাংক নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে কোন কাজই করতে পারেনা। ইচ্ছেটা কি? লেখক হয়ে ওঠা। কিন্তু লিখতে হলে ব্রেড আর ওয়াইন দরকার, প্রচন্ড মদ্যপ হিসেবে মূলত মদই দরকার। টাকা কামাই

জ্ঞান বনাম তথ্য

অধিকাংশ মানুষ দেখবেন তথ্য আর জ্ঞানকে এক মনে করে। এর রিফ্লেকশন পপুলার বই, সিনেমা বা বিজ্ঞাপনে দেখা যায়। ওদিন এক সিনেমায় দেখলাম, নায়িকার বড় ভাই নায়ককে জিজ্ঞেস করছে, ‘বলো দেখি ছোঁড়া, হুতোম প্যাঁচা কটা ব্রাক্ষণের টিকি কেটেছিল?’ আত্মবিশ্বাসী নায়ক মৃদু কণ্ঠে জানাল, ‘আজ্ঞে, ৫১টি।’ ‘শাবাশ। বিস্তারিত বলো, খুলে বলো।’ ‘জ্বি।

error: লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন